অফিসারবৃন্দ, তাহাদের ক্ষমতা ও কর্তব্য | শিশু আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় অফিসারবৃন্দ, তাহাদের ক্ষমতা ও কর্তব্য

অফিসারবৃন্দ, তাহাদের ক্ষমতা ও কর্তব্য

 

অফিসারবৃন্দ, তাহাদের ক্ষমতা ও কর্তব্য

 

৩০। প্রধান-পরিদর্শক, ইত্যাদি নিয়োগ।-

(১) সরকার, প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউটের জন্য একজন প্রধান-পরিদর্শক এবং তাহার সহায়তাকল্পে সরকারী বিবেচনামতে উপযুক্ত সংখ্যক পরিদর্শক ও সহকারী পরিদর্শক নিয়োগ করিবেন ।

(২) প্রধান-পরিদর্শকের এই আইনে বর্ণিত এবং যেরূপ নির্ধারণ করা হয় সেইরূপ ক্ষমতা ও কর্তব্য থাকিবে।

(৩) প্রত্যেক পরিদর্শক বা সহকারী পরিদর্শক, প্রধান-পরিদর্শকের সেইরূপ ক্ষমতা লাভ করিবেন ও কর্তব্য পালন করিবেন যেরূপ সরকার নির্দেশ দিবেন এবং প্রধান-পরিদর্শকের নির্দেশানুযায়ী কাজ করিবেন ।

 

৩১। প্রবেশন অফিসার নিয়োগ।-

(১) সরকার প্রত্যেক জেলায় একজন প্রবেশন অফিসার নিয়োগ করিতে পারিবেন :

তবে শর্ত থাকে যে, যে ক্ষেত্রে কোন জেলায় এইরূপ নিযুক্ত কোন ব্যক্তি না থাকে যে ক্ষেত্রে মামলা বিশেষের জন্য এই জেলায় আদালত কর্তৃক সময়ে সময়ে অন্য যে, কোন ব্যক্তি প্রবেশন অফিসার রূপে নিযুক্ত হইবেন। 

(২) প্রবেশন অফিসার স্থানীয় কিশোর আদালত অথবা সেখানে এইরূপ আদালত নাই সেখানে দায়রা আদালতের তত্ত্বাবধানে এবং পরিচালনায় এই আইনের অধীন তদীয় কর্তব্য সম্পাদন করিবেন। 

(৩) প্রবেশন অফিসার, এই আইনের অধীনে প্রণীত বিধি এবং আদালতের নির্দেশাবলী সাপেক্ষ- 

             (ক) যুক্তিসঙ্গত বিরতিতে নিজে শিশুকে পরিদর্শন করিবেন অথবা করিতে সুযোগ দিবেন ;

             (খ) লক্ষ্য রাখিবেন যে, শিশুটিকে আত্মীয় অথবা যাহার তত্ত্বাবধানে রাখা হইয়াছে তিনি মুচলেকার শর্ত পালন করিতেছেন;

             (গ) শিশুর আচরণ সম্পর্কে আদালত রিপোর্ট দিবেন ;

 

অফিসারবৃন্দ, তাহাদের ক্ষমতা ও কর্তব্য

 

             (ঘ) উপদেশ দিবেন, সহায়তা করিবেন এবং বন্ধু ভাবাপন্ন করিয়া তুলিবেন এবং প্রয়োজনে তাহার জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থানের চেষ্টা করিবেন; এবং 

             (ঙ) অন্য কোন নির্ধারিত কর্তব্য পালন করিবেন।

প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ | শিশু আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ

প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ

 

প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ

 

১৯। ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠা ও প্রত্যায়ন।-

(১) সরকার শিশু এবং বাল- অপরাধীদেরকে গ্রহণের জন্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করিতে পারিবেন।

 (২) সরকার প্রত্যায়ন করিতে পারিবেন যে (১) উপ-ধারার অধীনে প্রতিষ্ঠিত নহে এইরূপ কোন প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট অথবা কোন শিশু বিদ্যালয় কিংবা অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিশু অথবা বাল-অপরাধীগণের অভ্যর্থনার জন্য উপযুক্ত।

২০। রিমান্ড হোম।-

কোন আদালত অথবা পুলিশ কর্তৃক প্রেরিত শিশুদের আটক রাখা, রোগ নির্ণয় এবং শ্রেণী বিভাগের উদ্দেশ্যে সরকার রিমান্ড হোম প্রতিষ্ঠা এবং পরিচালনা করিতে পারিবেন।

২১। ইনষ্টিটিউট ইত্যাদি প্রত্যায়ন অথবা স্বীকৃতি দানের শর্তাবলী।-

এই আইনের উদ্দেশ্যে কোন প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট, শিল্প বিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা অনুমোদিত আবাসকে যে শর্তাবলী সাপেক্ষ প্রত্যায়ন অথবা স্বীকৃতি দান করা যাইবে সরকার সেই সকল শর্তাবলী নির্ধারণ করিবেন ।

২২। প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট সমূহের ব্যবস্থাপনা। –

(১) নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য ১৯(১) ধারার অধীনে প্রতিষ্ঠিত প্রত্যেকটি প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউটের জন্যে সরকার একজন তত্ত্বাবধায়ক এবং একটি পরিদর্শক কমিটি নিয়োগ করিবেন, এবং অনুরূপ তত্ত্বাবধায়ক এবং কমিটি এই আইনের উদ্দেশ্যে ইনষ্টিটিউটের ব্যবস্থাপক বলিয়া গণ্য হইবেন।

(২) ১৯(২) ধারার অধীনে প্রত্যায়িত প্রতিটি ইনষ্টিটিউট, বিদ্যালয় অথবা প্রতিষ্ঠান উহার গভর্ণিং বডির ব্যবস্থাধীন থাকিবে এবং উহার সদস্যগণ এই আইনের উদ্দেশ্যে ইনষ্টিটিউট, বিদ্যালয় অথবা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক বলিয়া গণ্য হইবেন ।

২৩। ব্যবস্থাপকগণের সহিত পরামর্শ।

কোন শিশুকে কোন প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউটে প্রেরণের পূর্বে আদালত উহার ব্যবস্থাপকগণের সহিত পরামর্শ করিবেন।

২৪। প্রত্যয়িত ইনষ্টিটিউট ও অনুমোদিত আবাস সমূহে ডাক্তারী পরিদর্শন।-

সরকার কর্তৃক এতদ্‌সংক্রান্ত ক্ষমতা প্রদত্ত কোন রেজিষ্টার্ড চিকিৎসক প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট বা অনুমোদিত আবাসের স্বাস্থ্য সম্মত ব্যবস্থাদি এবং উহার বাসিন্দাগণের স্বাস্থ্য সম্পর্কে প্রধান পরিদর্শকের নিকট রিপোর্ট প্রদানের উদ্দেশ্যে উহার ব্যবস্থাপক বা অন্যান্য ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণকে নোটিশ প্রদান পূর্বক বা বিনা নোটিশে যে কোন সময়ে যে কোন প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট অথবা অনুমোদিত আবাস পরিদর্শন করিতে পারিবেন।

 

২৫। সরকারের প্রত্যায়নপত্র প্রত্যাহারের ক্ষমতা।-

সরকার কোন প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউটের ব্যবস্থাপনায় অসন্তুষ্ট হইলে, উহার ম্যানেজারের প্রতি নোটিশ জারি করিয়া যে কোন সময়ে ঘোষণা করিতে পারিবেন যে, উক্ত ইনষ্টিটিউটের প্রত্যয়ন পত্র নোটিশে উল্লেখিত তারিখে প্রত্যাহার করা হইল এবং উক্ত তারিখ হইতে উক্ত প্রত্যাহার কার্যকর হইবে এবং ইনষ্টিটিউট অতঃপর প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট বলিয়া গণ্য হইবে না :

তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ নোটিশ জারির পূর্বে প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউটের ম্যানেজারকে প্রত্যায়ন পত্র কেন প্রত্যাহার করা হইবে না, তাহার কারণ দর্শাইবার জন্য যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদান করা হইবে ।

২৬। ব্যবস্থাপকগণ কর্তৃক প্রত্যায়ন পত্র সমপর্ণ।-

কোন প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউটের ব্যবস্থাপকগণ, প্রধান পরিদর্শকের মাধ্যমে তাহাদের অভিপ্রায় উল্লেখ করিয়া সরকারকে ছয় মাসের লিখিত নোটিশ প্রদান করিয়া ইনষ্টিটিউটের প্রত্যায়ন পত্র সমর্পণ করিতে পারিবেন এবং তদনুসারে নোটিশ প্রদানের তারিখ হইতে ছয় মাস অতিবাহিত হইলে এবং উক্ত সময়ের পূর্বে নোটিশটি প্রত্যাহার না করা হইলে, প্রত্যায়ন পত্রের সমর্পণ কার্যকর হইবে এবং ইনষ্টিটিউটের প্রত্যায়িত মর্যাদা লোপ পাইবে ।

২৭। প্রত্যায়ন পত্র প্রত্যাহার অথবা সমর্পণের ফলাফল। –

কোন প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউটের ব্যবস্থাপকগণ উহার প্রত্যায়নপত্র প্রত্যাহার বা সমপর্ণ সংক্রান্ত নোটিশ ক্ষেত্রমত প্রাপ্তি বা প্রদানের তারিখের পর এই আইনের অধীনে কোন শিশু কিংবা বাল-অপরাধীকে কোন প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউটে গ্রহণ করিবেন না ঃ

তবে শর্ত থাকে যে উপরি উক্ত তারিখে প্রত্যায়ন পত্রের প্রত্যাহার বা সমপর্ণ কার্যকর না হওয়া অবধি ইনষ্টিটিউটে আটক কোন শিশু অথবা বাল- অপরাধীকে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, বাসস্থান, বস্ত্র ও খাদ্য প্রদানের ব্যাপারে ব্যবস্থাপকগণের দায় দায়িত্ব যতক্ষণ সরকার অন্য প্রকার নির্দেশ প্রদান না করেন ততক্ষণ পর্যন্ত অব্যাহত থাকিবে।

২৮। প্রত্যায়ন পত্র প্রত্যাহার বা সমর্পণের পর নিবাসীগণ সম্পর্কে ব্যবস্থা।-

কোন ইনষ্টিটিউটের প্রত্যায়িত মর্যাদা লোপ পাইলে সেখানে আটক শিশু অথবা বাল অপরাধীকে সম্পূর্ণরূপে অথবা সরকার কর্তৃক আরোপিত শর্তে খালাস দিতে হইবে অথবা এই আইনের খালাস ও বদলি সংক্রান্ত বিধানাবলী মোতাবেক প্রধান পরিদর্শকের আদেশক্রমে অন্য কোন প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউটে বদলি করা যাইতে পারে। 

২৯। প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট এবং অনুমোদিত আবাস পরিদর্শন।-

প্রত্যেকটি প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট এবং অনুমোদিত আবাস ও উহার সকল বিভাগ সকল সময়ে প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউটের প্রধান পরিদর্শক, পরিদর্শক অথবা সহকারী পরিদর্শক কর্তৃক পরিদর্শনের জন্য উম্মুক্ত থাকিবে এবং প্রতি ছয় মাসে অন্ততঃ একবার পরিদর্শন করা হইবে ।

 

প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ

 

তবে শর্ত থাকে যে, যে ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বালিকাদের অভ্যর্থনার জন্য এইরূপ কোন ইনষ্টিটিউট থাকে এবং প্রধান পরিদর্শক এইরূপে পরিদর্শন না করেন, সে ক্ষেত্রে, সম্ভব হইলে, প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে অনুমোদিত কোন মহিলা এইরূপ পরিদর্শন করিবেন

এই আইনের অধীন এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতসমূহের ক্ষমতা ও দায়িত্ব | শিশু আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় এই আইনের অধীন এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতসমূহের ক্ষমতা ও দায়িত্ব

এই আইনের অধীন এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতসমূহের ক্ষমতা ও দায়িত্ব

 

এই আইনের অধীন এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতসমূহের ক্ষমতা ও দায়িত্ব

 

৩। কিশোর আদালতসমূহ।

কার্যবিধিতে কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা কোন স্থানীয় এলাকার জন্য এক বা একাধিক কিশোর আদালত প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবেন।

৪। কিশোর আদালতের ক্ষমতা প্রয়োগের এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতসমূহ।-

এই আইন দ্বারা, কোন কিশোর আদালতের উপর অর্পিত ক্ষমতা সমূহ প্রয়োগ করিতে পারিবেন –

              (ক) হাই কোর্ট বিভাগ

              (খ) দায়রা আদালত

              (গ) অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং সহকারী দায়রা জজের আদালত

              (ঘ) মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং

              (ঙ) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট,

তাহা, মূল মামলার বিচারিক আদালত বা আপীল আদালত অথবা পুনর্বিচারের এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত যাহাই হউক না কেন। 

৫। কিশোর আদালতের ক্ষমতাসমূহ, প্রভৃতি।-

(১) কোন স্থানীয় এলাকার জন্য কিশোর আদালত গঠন করা হইলে এইরূপ আদালত অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত কোন শিশুর সকল মামলার বিচার করিবেন এবং এই আইনের অধীনে অন্যান্য সকল কার্যধারার কাজ-কর্মও নিষ্পত্তি করিবেন, কিন্তু এই আইনের ৬ষ্ঠ ভাগে উল্লিখিত কোন অপরাধের জন্য অভিযুক্ত কোন প্রাপ্ত বয়স্কের মামলার বিচার করিবার ক্ষমতা এইরূপ আদালতের থাকিবে না ।

(২) কোন স্থানীয় এলাকার জন্য কিশোর আদালত গঠন করা না হইলে, কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত শিশুর বিরুদ্ধে আনীত কোন মামলার বিচার করা অথবা এই আইনের অধীন অন্য কোন কার্যধারার কাজকর্ম অথবা নিষ্পত্তি কারার ক্ষমতা ৪ ধারার অধীনে ক্ষমতা প্রদত্ত আদালত ব্যতীত অন্য কোন আদালতের থাকিবে না ।

(৩) কোন কিশোর আদালত অথবা ৪ ধারার অধীনে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দায়রা আদালতের অধস্তন কোন আদালতের নিকট যখন প্রতীয়মান হয় যে, কোন শিশু যে অপরাধে অভিযুক্ত হইয়াছে তাহা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য, তখন উহা মামলাটি অবিলম্বে দায়রা আদালতে, এই আইনে বিধৃত পদ্ধতিতে বিচারের জন্য বদলি করিবেন ।

৬। শিশু ও প্রাপ্ত বয়স্কের একত্রে বিচার অনুষ্ঠিত হইবে না।-

( ১ ) কার্যবিধির ২৩৯ ধারা বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও কোন শিশুকে কোন প্রাপ্ত বয়স্কের সঙ্গে কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত বা বিচার করা চলিবে না ।

(২) যদি কার্যবিধির ২৩৯ ধারা অথবা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনের অধীনে অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত কোন শিশুকে কোন প্রাপ্ত বয়স্কের সঙ্গে একত্রে বিচার করা যাইত কিন্তু (১) উপ-ধারার বিধানাবলীর কারণে তা করা যায় না, তাহা হইলে আদালত উক্ত অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ করিয়া উক্ত শিশুর এবং উক্ত প্রাপ্ত বয়স্কের বিচার পৃথকভাবে করিবার নির্দেশ দিবেন ।

৭। কিশোর আদালতের অধিবেশন, প্রভৃতি।-

(১) কিশোর আদালত নির্ধারিত স্থানে, দিনে এবং পদ্ধতিতে উহার অধিবেশনে বসিবে।

(২) কোন শিশু অভিযুক্ত রহিয়াছে এমন কোন মামলার বিচারের ক্ষেত্রে, আদালত যে ভবনে বা কামরায়, যে দিবসে বা যে সময়ে সাধারণত অধিবেশন বসে, তৎভিন্ন অন্য কোন ভবন বা কামরায় অথবা অন্য দিবস বা সময়ে অধিবেশন বসিবে।

৮। দায়রায় বিচার্য মামলায় প্রাপ্ত বয়স্ককে দায়রায় সোপর্দ করিতে হইবে।-

(১) কোন শিশু কোন অপরাধ সংঘটনের দায়ে কোন প্রাপ্ত বয়স্কের সহিত একত্রে অভিযুক্ত হইলে এবং উক্ত অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণকারী আদালতের মতে মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণের উপযুক্ত বলিয়া প্রতীয়মান হইলে, আদালত মামলাটির শিশু সম্পর্কিত অংশ উহার প্রাপ্তবয়স্ক সম্পর্কিত অংশ হইতে পৃথক করিয়া ফেলিবার পর নির্দেশ দিবেন যে, শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্ককে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য সোপর্দ করিতে হইবে।

(২) অতঃপর শিশু সম্পর্কিত মামলাটি উক্ত স্থানীয় এলাকার জন্য কোন কিশোর আদালত থাকিলে, উক্ত আদালতে অথবা না থাকিলে এবং উক্ত অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণকারী আদালত ৪ ধারার অধীনে ক্ষমতা প্রাপ্ত না হইয়া থাকিলে ৪ ধারার অধীনে ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন আদালতে বদলি করিতে হইবে : তবে শর্ত থাকে যে, শিশু সম্পর্কিত মামলাটি যদি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসীল অনুসারে শুধুমাত্র দায়রা আদালতে বিচার্য হয় তাহা হইলে ৫(৩) ধারা অধীনে দায়রা আদালতে বদলি করিতে হইবে ।

৯। কিশোর আদালতে উপস্থিত ব্যক্তিগণ।

এই আইনের বিধান ব্যতীত, নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি কিশোর আদালতের এজলাসে উপস্থিত থাকিবেন না :

              (ক) আদালতের সদস্যগণ ও অফিসারগণ;

              (খ) আদালতের উত্থাপিত মামলা অথবা কার্যধারার পক্ষগণ এবং পুলিশ অফিসারগণসহ মামলা অথবা কার্যধারার সহিত সরাসরি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিগণ;

              (গ) শিশুর পিতা-মাতা অথবা অভিভাবক ; এবং

              (ঘ) উপস্থিত হইবার জন্য আদালত কর্তৃক বিশেষ ভাবে অনুমোদিত অন্যান্য ব্যক্তিগণ

১০। আদালত হইতে যে সেকল ব্যক্তি প্রত্যাহারিত হইবে।-

কোন মামলা বা কার্যধারার শুনানির কোন পর্যায়ে আদালত যদি শিশুটির স্বার্থে তাহার পিতা-মাতা, অভিভাবক অথবা দম্পত্তি অথবা শিশু নিজে সমেত কোন ব্যক্তিকে আদালত হইতে প্রত্যাহার করা সমীচীন মনে করেন তাহা হইলে আদালত এইরূপ প্রত্যাহারের নির্দেশ দিবেন এবং অনুরূপ ব্যক্তিগণ আদালত ত্যাগ করিবেন।

১১। হাজিরা হইতে শিশুর অব্যাহতি।

কোন মামলা বা কার্যধারার শুনানির কোন পর্যায়ে আদালত যদি উক্ত শুনানির উদ্দেশ্যে শিশুটির হাজির থাকা অনাবশ্যক বলিয়া মনে করেন, তবে আদালত তাহাকে হাজিরা হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে এবং তাহার অনুপস্থিতিতেই উক্ত মামলা বা কার্যধারার শুনানি চালাইয়া যাইতে পারিবেন।

১২। শিশুর সাক্ষ্য প্রদানকালে কতিপয় ব্যক্তির আদালত হইতে প্রত্যাহার।-

শালীনতা অথবা নৈতিকতা বিরোধী কোন অপরাধ সংক্রান্ত মামলা বা কার্যধারার শুনানির কোন পর্যায়ে যদি কোন শিশুকে সাক্ষী হিসাবে তলব করা হয়, তবে উক্ত মামলা বা কার্যধারার শুনানিকারী আদালত উহার মতে উপযুক্ত ব্যক্তিগণকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিবেন এবং তদনুসারে তাহারা প্রত্যাহার হইবেন। তবে উক্ত মামলা বা কার্যধারার পক্ষগণ, তাহাদের আইন-উপদেষ্টাগণ এবং মামলা বা কার্যধারা সংশ্লিষ্ট অফিসারগণকে এই ধারার অধীনে প্রত্যাহার করিতে হইবে না ।

 

১৩। অভিযুক্ত শিশুর পিতা-মাতার আদালতে হাজিরা, প্রভৃতি।-

(১) এই আইনের অধীনে আদালতে নীত শিশুর পিতা-মাতা অথবা অভিভাবক বর্তমান থাকিলে, এবং তাহার সন্ধান পাওয়া গেলে অথবা তিনি যুক্তিসংগত দূরত্বে বসবাস করিলে, এই আইনের অধীনে যে আদালতে কোন কার্যধারা গ্রহণ করা হয় সেই আদালতে হাজির হইতে নির্দেশ দেওয়া যাইতে পারে, যদি না আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে তাহাকে হাজির হইতে নির্দেশ দেওয়া যুক্তিসঙ্গত হইবে না ।

(২) শিশুটিকে গ্রেফতার করা হইলে যে থানায় তাহাকে আনা হয় সেই থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার অবিলম্বে শিশুর পিতা-মাতা অথবা অভিভাবককে, যদি তাহাকে খুঁজিয়া পাওয় যায়, এইরূপ গ্রেফতার সম্পর্কে অবহিত করিবেন এবং যে আদালতে শিশুটিকে হাজির করা হইবে সেই আদালতে হাজির হইবার জন্য তারিখ নির্দিষ্ট করিয়া তাহার প্রতি নির্দেশদানের ব্যবস্থা করাইবেন

(৩) যে পিতা-মাতা বা অভিভাবককে এই ধারার অধীনে হাজির হইবার নির্দেশ দেওয়া হইবে তাহাকে শিশুটির যথার্থ দায়িত্বশীল বা নিয়ন্ত্রণকারী পিতা-মাতা বা অভিভাবক হইতে হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ পিতা-মাতা বা অভিভাবক যদি পিতা না হইয়া থাকেন তবে পিতাকেও হাজির হইতে নির্দেশ দেওয়া যাইতে পারে। 

(৪) যে ক্ষেত্রে এই কার্যধারা রুজু হওয়ার পূর্বে শিশুটিকে আদালতের আদেশ দ্বারা তাহার পিতা-মাতার হেফাজত বা দায়িত্ব হইতে অপসারণ করা হইয়াছে সেইক্ষেত্রে কোন প্রকারেই এই ধারার অধীনে শিশুটির পিতা-মাতাকে আদালতে হাজির হইতে নির্দেশ দেওয়া যাইবে না ।

(৫) এই ধারার কোন কিছু শিশুর মাতা বা মহিলা অভিভাবককে হাজির হওয়ার নির্দেশ দান করে বলিয়া গণ্য হইবে না, তবে এইরূপ কোন মাতা বা মহিলা অভিভাবক কোন উকিল বা এজেন্টের মাধ্যমে আদালতে হাজির হইতে পারেন ।

১৪ । মারাত্মক রোগাক্রান্ত শিশুকে অনুমোদিত স্থানে প্রেরণ।-

(১) এই আইনের কোন বিধান অনুযায়ী আদালতে নীত কোন শিশু যদি এইরূপ রোগাক্রান্ত থাকে যে তাহাকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা করা প্রয়োজন, অথবা এইরূপ শারীরিক বা মানসিক যন্ত্রণাগ্রস্ত হয় যে তাহার চিকিৎসা প্রয়োজন, তাহা হইলে আদালত শিশুটিকে কোন হাসপাতাল অথবা এই আইনের অধীনে প্রণীত বিধি অনুযায়ী স্বীকৃত কোন স্থানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য যতদিন আবশ্যক মনে করেন ততদিনের জন্য প্রেরণ করিবেন ।

(২) যে ক্ষেত্রে আদালত (১) উপ-ধারা অধীনে কোন সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত শিশুর ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন সেই ক্ষেত্রে আদালত শিশুটির বৈবাহিক সূত্রে কোন অংশীদার বা তাহার অভিভাবকের নিকট, যে ক্ষেত্রে যাহা হয়,তাহাকে ফেরত দেওয়ার পূর্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা শিশুটির স্বার্থের অনুকূল হইবে বলিয়া সন্তুষ্ট হইলে, শিশুটির অনুরূপ বৈবাহিক সূত্রে অংশীদার অথবা অভিভাবককে এই মর্মে নির্দেশ দিবেন যে, তাহাদের দ্বারা শিশুটি পুনঃ সংক্রামিত হইবে না এই মর্মে ডাক্তারী পরীক্ষা দাখিল পূর্বক আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করিতে হইবে।

১৫। আদেশ প্রদান কালে আদালত যে সকল বিষয় বিবেচনা করিবেন।-

এই আইনের অধীনে কোন আদেশ প্রদানের উদ্দেশ্যে আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলির প্রতি লক্ষ্য রাখিবেন-

                (ক) শিশুর চরিত্র ও বয়স ;

                (খ) শিশুর জীবন যাপনের পরিবেশ ; 

                (গ) প্রবেশন অফিসার কর্তৃক প্রণীত রিপোর্ট ; এবং

                (ঘ) শিশুটির স্বার্থে যে সকল বিষয় বিবেচনায় গ্রহণ করিতে হইবে বলিয়া আদালত মনে করেন সে সকল বিষয় : 

তবে শর্ত থাকে যে, যখন কোন শিশু কোন অপরাধ করিয়াছে মর্মে পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যাদি লিপিবদ্ধ করিবার পর উপরি উক্ত বিষয়াদি বিবেচনার্থ গ্রহণ করিবেন।

১৬। প্রবেশন অফিসারের রিপোর্ট এবং অন্যান্য রিপোর্ট গোপনীয় গণ্য করিতে হইবে।-

১৫ ধারায় আদালত কর্তৃক বিবেচিত প্রবেশন অফিসারের রিপোর্ট অথবা অন্য কোন রিপোর্ট গোপনীয় বলিয়া গণ্য হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ রিপোর্ট যদি শিশুটি বা তাহার পিতা-মাতা কিংবা অভিভাবকের চরিত্র, স্বাস্থ্য অথবা আচরণ অথবা জীবন যাপনের পরিবেশ সংক্রান্ত হয় তবে আদালত সমীচীন মনে করিলে উক্ত রিপোর্টের সারমর্ম, উক্ত শিশু কিংবা সংশ্লিষ্ট পিতা-মাতা অথবা অভিভাবককে জানাইতে পারিবেন এবং তাহাদিগকে রিপোর্টে বর্ণিত বিষয়াদির সহিত প্রাসঙ্গিক হয়, এইরূপ সাক্ষ্য প্রদানের সুযোগ দিতে পারিবেন।

১৭। মামলায় জড়িত শিশুর পরিচয়, ইত্যাদি প্রকাশ নিষিদ্ধ।-

কোন সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন বা সংবাদ ফলক প্রভৃতি অথবা কোন সংবাদ এজেন্সী এই আইনের অধীনে কোন আদালতে উত্থাপিত কোন মামলা বা কার্যধারায় কোন শিশু জড়িত থাকিলে উহার বিস্তারিত বর্ণনা এবং এইরূপ শিশুকে সনাক্তকরণে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সাহায্য করে এইরূপ কিছু বা শিশুর ছবি প্রকাশ করিবে না;

তবে শর্ত থাকে যে, মামলার বিচারকারী অথবা কার্যধারা গ্রহণকারী আদালত,যদি উহার মতে এইরূপ রিপোর্ট প্রকাশ করা শিশু কল্যাণের স্বার্থে অনুকূল হইবে এবং সংশ্লিষ্ট শিশুর স্বার্থের কোন ক্ষতি হইবে না বলিয়া মনে করেন, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত আদালত এইরূপ কোন রিপোর্ট প্রকাশের অনুমতি দিতে পারিবেন ।

 

এই আইনের অধীন এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতসমূহের ক্ষমতা ও দায়িত্ব

 

১৮। আওতা বহির্ভূত না হইলে ১৮৯৮ সনের ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।-

এই আইন অথবা ইহার অধীনে প্রণীত বিধির সুস্পষ্ট বিধান অনুযায়ী ব্যতীত, এই আইনের অধীনে মামলার বিচার এবং কার্যধারা গ্রহণের ক্ষেত্রে কার্যবিধিতে বর্ণিত বিধানাবলী অনুসরণ করিতে হইবে।

শিশু আইন | প্রাথমিক ১

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় শিশু আইন

শিশু আইন

 

শিশু আইন

 

ঢাকা, ২২ জুন, ১৯৭৪ সংসদ কর্তৃক নিম্নলিখিত আইনটি ২১ জুন ১৯৭৪ তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করিয়াছে এবং এতদ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা যাইতেছে :

শিশুদের হেফাজত,রক্ষণ ও পরিচালনা এবং বাল-অপরাধীদের বিচার ও সাজা সম্পর্কিত আইন একীভূত ও সংশোধনকল্পে প্রণীত আইন৷ যেহেতু শিশুদের হেফাজত, রক্ষণ ও পরিচালনা এবং বাল-অপরাধীদের বিচার ও সাজা সম্পর্কিত আইন একীভূত ও সংশোধন করার জন্য একটি আইন প্রণয়ন সমীচীন ; (1)

সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:- 

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।-

(১) এই আইন শিশু আইন, ১৯৭৪ নামে অভিহিত হইবে ।

(২) সরকার সরকারী গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যেইরূপ নির্ধারণ করিবেন সেইরূপ এলাকাসমূহে এবং সেই সকল তারিখে এই আইন বলবৎ হইবে ।

২। সংজ্ঞাসমূহ।-

বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কিছু না থাকিলে, এই আইনে-

               (ক) ‘প্রাপ্ত বয়স্ক’ অর্থ এইরূপ ব্যক্তি যিনি শিশু নহেন ।

               (খ) ‘অনুমোদিত আবাস’ অর্থ এইরূপ কোন প্রতিষ্ঠান যাহা শিশুদেরকে গ্রহণ ও হেফাজত করার জন্য অথবা তাহাদের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ নিরোধের উদ্দেশ্যে এবং উহার তত্ত্বাবধানে ন্যস্ত কোন শিশুকে তাহার জন্মগত ধর্মের বিধান মোতাবেক পালন করিবার বা করিবার সুযোগ প্রদানের জন্য কোন সমিতি অথবা ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এবং সরকার কর্তৃক স্বীকৃত; 

               (গ) ‘ভিক্ষা করা’ অর্থ-

(অ) গান গাওয়া, নাচ দেখানো, ভাগ্য গণনা করা, পবিত্র স্তবক পাঠ করা অথবা কলাকৌশল দেখানো, ভান করিয়া হউক বা না হউক, প্রভৃতি দ্বারা, কোন প্রকাশ্য স্থানে ভিক্ষা চাওয়া বা গ্রহণ করা ;

(আ) ভিক্ষা চাহিবার বা গ্রহণের উদ্দেশ্যে কোন বেসরকারী আঙিনায় প্রবেশ করা

(ই) কোন ক্ষত, ঘা, জখমী, বিকলাঙ্গতা কিংবা ব্যধি, ভিক্ষা প্রাপ্তি বা আদায়ের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করা বা অনাবৃত করিয়া রাখা ;

 

(ঈ) জীবন ধারণের দৃশ্যত: কোন উপায় নাই বলিয়া প্রকাশ্য স্থান সমূহে এইরূপ অবস্থায় ও পন্থায় ঘুরিয়া বেড়ানো বা অবস্থান করা যাহা দ্বারা বুঝা যায় এইরূপ ভাবেই ভিক্ষা চাহিয়া বা গ্রহণ করিয়া তিনি বাঁচিয়া আছেন, এবং

(উ) ভিক্ষা চাওয়া বা গ্রহণ করার উদ্দেশ্যে নিজেকে আলামত হিসাবে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য অনুমতি দেওয়া,

                (ঘ) ‘প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট ‘ অর্থ সরকার কর্তৃক স্থাপিত কোন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান অথবা ১৯ ধারার অধীনে সরকার কর্তৃক প্রত্যায়িত কোন প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট, শিল্প বিদ্যালয় অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান;

                (ঙ) ‘প্রধান পরিদর্শক ‘ অর্থ ৩০ ধারার অধীনে নিয়োগ প্রাপ্ত প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট সমূহের প্রধান পরিদর্শক;

                (চ) ‘শিশু ‘ অর্থ ১৬ বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি এবং প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউটে বা অনুমোদিত আবাসে প্রেরিত অথবা আদালত কর্তৃক কোন আত্নীয় বা অন্য উপযুক্ত ব্যক্তির হেফাজতে সোপর্দকৃত শিশুর ক্ষেত্রে সেই শিশু যে তাহার পূর্ণ সময়কাল আটক থাকে, উক্ত সময়ে তাহার বয়স ১৬ বৎসর পূর্ণ হইলেও;

                 (ছ) ‘কার্যবিধি ’ অর্থ ১৮৯৮ সনের ফৌজদারি কার্যবিধি (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন);

                 (জ) ‘অভিভাবক’ বলিতে কোন শিশু কিংবা বাল-অপরাধীর ক্ষেত্রে এইরূপ ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত যিনি আদালতের মতে, শিশু বা বাল-অপরাধী সম্পর্কে গৃহীত কার্যধারা মানিয়া লইতে উক্ত শিশু বা বাল-অপরাধীর যথার্থ দায়িত্ব অথবা নিয়ন্ত্রণের ভার সাময়িকভাবে গ্রহণ করেন;

                 (ঝ) — কিশোর আদালত ‘ অর্থ ৩ ধারার অধীনে প্রতিষ্ঠিত আদালত ;

                 (ঞ) নিরাপদ স্থান ‘ বলিতে রিমান্ড হোম অথবা এইরূপ অন্য কোন উপযুক্ত স্থান কিংবা প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত যাহার দখলদার বা ব্যবস্থাপক সাময়িকভাবে শিশুকে গ্রহণ করিতে ইচ্ছুক অথবা যেখানে অনুরূপ রিমান্ড হোম বা অন্য উপযুক্ত স্থান কিংবা প্রতিষ্ঠান নাই সেখানে, কেবল পুরুষ শিশুদের ক্ষেত্রে, এইরূপ ব্যবস্থা সম্পন্ন থানা যাহার মধ্যে শিশুগণকে অন্যান্য অপরাধী হইতে পৃথকভাবে হেফাজতে রাখার বন্দোবস্ত রহিয়াছে;

                  (ট) ‘ নির্ধারিত ‘ অর্থ এই আইনের অধীনে প্রণীত বিধি দ্বারা নির্ধারিত 

                  (ঠ) ‘প্রবেশন অফিসার’ অর্থ ৩১ ধারার অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রবেশন অফিসার;

 

শিশু আইন

 

                  (ড) ‘তত্ত্বাবধান’ অর্থ শিশুর পিতা-মাতা, অভিভাবক, আত্নীয় কিংবা কোন উপযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক শিশুর যথাযথ দেখাশুনা ও হেফাজত নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে কোন প্রবেশন অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে শিশুকে ন্যস্ত রাখা; এবং

                  (ণ)’বাল-অপরাধী ‘ অর্থ এইরূপ কোন শিশু যাহাকে অপরাধ করিতে দেখা গিয়াছে

বন্দী সনাক্তকরণ আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দী সনাক্তকরণ আইন

বন্দী সনাক্তকরণ আইন

 

বন্দী সনাক্তকরণ আইন

 

৯ সেপ্টেম্বর, ১৯২০ সাজাপ্রাপ্ত বন্দী এবং অন্যদের মাপ ও ফটোগ্রাফ গ্রহণের কর্তৃত্ব প্রদানকল্পে প্রনীত আইন। যেহেতু সাজাপ্রাপ্ত বন্দী ও অন্যদের মাপ ও ফটোগ্রাফ গ্রহণের কর্তৃত্ব প্রদান করা সমীচীন, সেইহেতু নিম্নলিখিত আইন প্রণয়ন করা হইল ঃ-

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রয়োগ।-

(১) এই আইন বন্দী সনাক্তকরণ আইন, ১৯২০ নামে অভিহিত হইবে ; এবং

(২) ইহা সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য হইবে ।

২। সংজ্ঞাসমূহ।

বিষয় বস্তু বা প্রসঙ্গের বিপরীত কিছু না থাকিলে, এই আইনে-

              (ক) “মাপ” বলিতে আঙ্গুলের ছাপ এবং পায়ের ছাপও বুঝাইবে ; 

              (খ) “পুলিশ অফিসার” বলিতে একটি থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার, ১৮৯৮ সালে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪শ অধ্যায় অনুসারে তদন্তকারী পুলিশ অফিসার, অথবা সাব ইন্সপেক্টরের নিম্নপদস্থ নহে এইরূপ অন্য কোন পুলিশ অফিসার ; এবং

               (গ) “নির্ধারিত” বলিতে এই আইন অনুসারে প্রণীত বিধানাবলী দ্বারা নির্ধারিত বুঝাইবে ।

৩। সাজাপ্রাপ্ত বন্দীর মাপ,প্রভৃতি গ্রহণ।-

প্রত্যেক ব্যক্তি যে –

              (ক) এক বৎসর বা ততোধিক মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে, অথবা এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হইয়াছে যাহার দরুন পররবর্তীকালে দোষী সাব্যস্ত হইলে সে বর্ধিত দণ্ড প্রাপ্তির যোগ্য হইবে; অথবা

              (খ) ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারা অনুসারে সদাচরণের জন্য মুচলেকা প্রদানের জন্য আদেশ প্রাপ্ত হইয়াছে ; সে প্রয়োজন হইলে, একজন পুলিশ অফিসারকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে তাহার মাপ ও ফটোগ্রাফ গ্রহণ করিতে দিবে। 

৪। সাজাপ্রাপ্ত নয় এমন অন্যান্য ব্যক্তির মাপ,প্রভৃতি গ্রহণ।

কোন ব্যক্তি এক বৎসর বা ততোধিক মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে গ্রেফতার হইয়া থাকিলে, কোন পুলিশ অফিসার যদি প্রয়োজন মনে করেন তবে নির্ধারিত পদ্ধতিতে তাহার মাপ ও ফটোগ্রাফ গ্রহণ করিতে দিবে।

 

৫। মাপ বা ফটোগ্রাফ গ্রহণের আদেশ প্রদানের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের ক্ষমতা।

যদি কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এই মর্মে সন্তুষ্টি লাভ করেন যে, ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন তদন্ত বা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে তাহার মাপ ও ফটোগ্রাফ নিতে দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা প্রয়োজন, তবে তিনি সেই মর্মে একটি আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন। এইরূপ ক্ষেত্রে যে ব্যক্তির উদ্দেশ্যে উক্ত আদেশ প্রদত্ত হইবে, সেই ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট স্থানে হাজির করা হইবে বা সে নিজে হাজির হইবে এবং পুলিশ অফিসার কর্তৃক তাহার মাপ ও ফটোগ্রাফ লইতে দিবে ঃ

তবে শর্ত যে, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট ভিন্ন অন্য কাহারও দ্বারা কোন ব্যক্তির ফটোগ্রাফ গ্রহণের নির্দেশ সম্বলিত আদেশ প্রদত্ত হইবে না ;

আরও শর্ত এই যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্তরূপ কোন তদন্ত বা কার্যক্রম প্রসঙ্গে কোন সময় গ্রেফতার না হইয়া থাকিলে এই ধারা অনুসারে কোন আদেশ প্রদত্ত হইবে না ।

৬। মাপ,প্রভৃতি গ্রহণে বাধা দেওয়া।-

(১) এই আইন অনুসারে যাহার মাপ ও ফটোগ্রাফ নিতে দেওয়া প্রয়োজন এরূপ কোন ব্যক্তি যদি উহা নিতে বা দিতে অস্বীকার করে তবে তাহা নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ আইনসম্মত হইবে ।

(২) এই আইন অনুসারে মাপ বা ফটোগ্রাফ নিতে বাধা দেওয়া বা দিতে অস্বীকার করা দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারা অনুসারে অপরাধ বলিয়া বিবেচিত হইবে ।

৭। খালাসের কারণে ফটোগ্রাফ এবং রেকর্ড, প্রভৃতি নষ্ট করা।-

যে ব্যক্তি পূর্বে কখনও এক বছর বা তদুর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত হয় নাই, এরূপ কোন ব্যক্তি এই আইনের বিধান অনুসারে তাহার মাপ বা ফটোগ্রাফ লইতে দিয়া থাকিলে, সেই ব্যক্তি যখন বিনা-বিচারে মুক্তি পায় বা কোন আদালত কর্তৃক অব্যাহতি বা খালাসপ্রাপ্ত হয়, তখন তাহার সমস্ত মাপ ও সমস্ত ফটোগ্রাফ (নিগেটিভ ও কপি উভয়) যাহা গৃহীত হইয়াছে আদালত অথবা (সেই ব্যক্তি যে ক্ষেত্রে বিনা বিচারে মুক্তি পাইয়াছে) জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা অফিসার লিপিবদ্ধকৃত কারণে অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে তাহা নষ্ট করিয়া ফেলা হইবে অথবা সেই ব্যক্তির নিকট অর্পণ করা হইবে । 

৮। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা।-

(১)এই আইনের বিধানসমূহ কার্যকরী করিবার উদ্দেশ্যে সরকার বিধিমালা প্রণয়ন করিতে পারিবেন। 

(২) বিশেষভাবে এবং উপরোক্ত বিধানসমূহের সাধারণ প্রকৃতি ক্ষুণ্ণ না করিয়া অনুরূপভাবে প্রণীত বিধিমালায় নিম্নলিখিত বিষয়ে বিধান সন্নিবেশিত করা যাইবে –

                (ক) ৫ ধারা অনুসারে কোন ব্যক্তির ফটোগ্রাফ গ্রহণের উপর নিয়ন্ত্রণ

                (খ) যেই সকল স্থানে মাপ ও ফটোগ্রাফ নেওয়া যাইবে তাহা নির্ণয় ;

                (গ) যে মাপ গ্রহণ করা হইবে তাহার প্রকৃতি নির্ণয় ; (ঘ) যে পদ্ধতিতে কোন শ্রেণীর বা শ্রেণীসমূহের মাপ গ্রহণ করা হইবে তাহা নির্ণয় ; 

                (ঙ) কোন ব্যক্তির ৩ ধারা অনুসারে ফটোগ্রাফ গ্রহণের সময় সেই ব্যক্তি যে পোশাক পরিধান করিবে, তাহা নির্ণয় ; এবং

                (চ) মাপ ও ফটোগ্রাফ সম্পর্কিত কাগজপত্র সংরক্ষণ, হেফাজত ধ্বংস করা ও বিলি ব্যবস্থা করা । 

 

বন্দী সনাক্তকরণ আইন

 

৯ । মামলা দায়ের নিষেধ।-

এই আইন বা ইহার অধীনে প্রণীত কোন বিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন কিছু করিলে, বা করিবার ইচ্ছা করিলে, তজ্জন্য তাহার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের বা অন্য কার্যক্রম গ্রহণ করা যাইবে না ।

বন্দীদের নিকট সমন জারী | বন্দী আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দীদের নিকট সমন জারী

বন্দীদের নিকট সমন জারী

 

বন্দীদের নিকট সমন জারী

 

৪৭। বন্দীদের নিকট কিভাবে সমন জারী করিতে হইবে।-

যখন কোন কারাগারে আটক কোন ব্যক্তির উদ্দেশ্যে কোন ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালত হইতে সমন জারী করা হয়, কারাগারের ভারপ্রাপ্ত-কর্মকর্তাকে উহার মূল কপি প্রদর্শন করিয়া এবং তাহার নিকট একটি কপি জমা প্রদান করিয়া উহা জারী করা যাইতে পারে।

৪৮। বন্দীর অনুরোধে জারীকৃত সমন অগ্রগামী করণ।-

(১) কারাগারের প্রত্যেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, যাহার নিকট ৪৭ ধারা মোতাবেক সমন প্রদান করা হইয়াছে, যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি তাহার নিকট জমাকৃত সমন যে ব্যক্তির উদ্দেশ্যে জারী করা হইয়াছে তাহাকে তাহা দেখাইবার এবং ব্যাখ্যা করিবার ব্যবস্থা করিবেন, এবং অত:পর উহাতে তাহার স্বাক্ষর গ্রহণ করিবেন এবং সার্টিফিকেট প্রদান করিবেন যে,বর্ণিত ব্যক্তির নিকট তাহার দায়িত্বে সমন জারী করিয়া দেখানো ও বুঝানো হইয়াছে।

(২) পূর্ব বর্ণিত অনুরূপ সার্টিফিকেট সমন জারীর প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে গণ্য হইবে, এবং, যাহার উদ্দেশ্যে সমন প্রেরণ করা হইয়াছে, সে যদি তাহাকে দেখানো এবং বুঝানো সমনটি অন্য কাহারো নিকট প্রেরণের জন্য অনুরোধ করে এবং উহার ডাক খরচ প্রদান করে, কারাগারের ভারপ্রাপ্ত-কর্মকর্তা তাহা প্রেরণের ব্যবস্থা করিবেন।

৪৯ । বাতিল ।

 

৫০। খরচ জমা প্রদান।-

কোন আদালত এই ভাগের কোন বিধানের অধীনে দেওয়ানী সংক্রান্ত কোন আদেশ প্রদান করিবেন না, যে পর্যন্ত ইহা কার্যকর করিবার খরচ এবং চার্জ (আদালত কর্তৃক নির্ধারণ করিতে হইবে) অনুরূপ আদালতে জমা না দেওয়া হয় ।

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ আদেশের জন্য আবেদনের পর যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আবেদনকারীর বর্ণিত খরচ বহনের যথেষ্ট আর্থিক সংস্থান নাই, আদালতের আনুষঙ্গিক ব্যয়ের কোন প্রযোজ্য তহবিল হইতে আদালত উক্ত খরচ প্রদান করিতে পারেন এবং পরিশোধিত মোট ব্যয় আদালত কর্তৃক নির্দেশিত ব্যক্তি হইতে ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির আওতায় মামলার প্রদেয় খরচ আদায়ের ন্যায় সরকার আদায় করিতে পারিবেন।

৫১। এই ভাগের অধীনে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা।-

(১) সরকার বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবেন-

             (ক) বন্দীদের আদালতে হাজির করিবার জন্য এবং আদালত হইতে ফেরত নেওয়ার জন্য প্রহরা এবং সেই সময় তাহাদেরকে আটক রাখিবার নিয়ন্ত্রণের জন্য; 

             (খ) অনুরূপ প্রহরার জন্য যেই পরিমাণ খরচ এবং চার্জ অনুমোদন করিতে হইবে তাহা নিয়ন্ত্রণের জন্য; এবং 

             (গ) এই ভাগের সহিত সম্পর্কিত অন্যান্য সকল বিষয় প্রয়োগের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে পরিচালনার জন্য;

(২) উপ-ধারা (১) মোতাবেক প্রণীত সকল বিধি সরকারী গেজেটে প্রকাশ করিতে হইবে, এবং অনুরূপ প্রকাশের তারিখ হইতে এই আইনের কার্যকারীতার ন্যায় সমভাবে বলবৎ হইবে।

৫২। কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে গণ্য করিবার ঘোষণা প্রদানের ক্ষমতা।-

সরকার এই ভাগের উদ্দেশ্যে, কোন্ কর্মকর্তা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত-কর্মকর্তা বলিয়া গণ্য হইবেন, তাহা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

 

বন্দীদের নিকট সমন জারী

 

৫৩ । বাতিল ।

বন্দীদের জবানবন্দীর জন্য কমিশন | বন্দী আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দীদের জবানবন্দীর জন্য কমিশন

বন্দীদের জবানবন্দীর জন্য কমিশন

 

বন্দীদের জবানবন্দীর জন্য কমিশন

 

৪৪ । বন্দীদের জবান বন্দীর জন্য কমিশন।-

নিম্নোক্ত যে কোন ক্ষেত্রে,অর্থাৎ- (ক) যখন কোন দেওয়ানী আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, তাহার আপীল এখতিয়ারভুক্ত এলাকার মধ্যে, যদি তাহা হাইকোর্ট বিভাগ হয়, কিংবা হাইকোর্ট বিভাগ না হইলে, অনুরূপ আদালত যে হাইকোর্ট-বিভাগের অধস্তন, তাহার এখতিয়ারভুক্ত এলাকার মধ্যে অবস্থিত কোন কারাগারে আটক কোন ব্যক্তির ঐ আদালতে অনিষ্পন্ন কোন প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সাক্ষ্য প্রয়োজন, কিন্তু ৪২ ধারা বা ৪৩ ধারায় বর্ণিত কারণে তাহাকে স্থানান্তর করা সম্ভব নয়; বা

(খ) যখন পূর্ব বর্ণিত অনুরূপ কোন আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় , যে, আদালত হইতে ১০ মাইল দূরে অবস্থিত কোন কারাগারে আটক ব্যক্তির প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ প্রয়োজন; বা

(গ) যখন জেলা জজ ৩৬ ধারার অধীনে স্থানান্তর করিবার আদেশ প্রতিস্বাক্ষর করিতে অস্বীকৃতি জানান; আদালত তখন সমীচীন মনে করিলে দেওয়ানী কার্য বিধি, ১৯০৮ এর আওতায় যে কারাগারে ঐ ব্যক্তি আটক রহিয়াছে সেখানে তাহার জবানবন্দী গ্রহণ করিবার জন্য একটি কমিশনের আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

 

৪৫। হাইকোর্ট বিভাগের আপীল এখতিয়ার বহির্ভূত এলাকার বন্দীদের জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন। –

যখন হাইকোর্ট-বিভাগের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, তাহার আপীল এখতিয়ারভূক্ত এলাকার বাহিরে অবস্থিত কোন কারাগারে আটক কোন ব্যক্তির এই আদালতে বা তাহার অধস্তন কোন আদালতে অনিষ্পন্ন কোন প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সাক্ষ্য প্রয়োজন, হাইকোর্ট-বিভাগ তখন সমীচীন মনে করিলে, দেওয়ানী কার্য বিধি, ১৯০৮ এর আওতায় যে কারাগারে ঐ ব্যক্তি আটক রহিয়াছে, সেখানে তাহার জবানবন্দী গ্রহণ করিবার জন্য একটি কমিশনের আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

৪৬। কমিশন যে ভাবে পরিচালিত হইবে।-

৪৪ বা ৪৫ ধারায় কোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহনের জন্য প্রত্যেক কমিশন যে কারাগারে ঐ ব্যক্তি আটক রহিয়াছে, তাহা যে জেলা জজের এখতিয়ারভুক্ত এলাকার মধ্যে অবস্থিত,

 

বন্দীদের জবানবন্দীর জন্য কমিশন

 

সে জেলা জজের নিকট প্রেরিত হইবে, এবং জেলা জজ কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট বা যেইরূপ সমীচীন মনে করেন সেইরূপ অন্য কাহারো কমিশন কার্যকর করিবার দায়িত্ব প্রদান করিবেন। 

বন্দীদের হাজিরা এবং তাহাদের সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনে বিধান | বন্দী আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দীদের হাজিরা এবং তাহাদের সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনে বিধান

বন্দীদের হাজিরা এবং তাহাদের সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনে বিধান

 

বন্দীদের হাজিরা এবং তাহাদের সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনে বিধান

 

৩৪। এই ভাগে কারাগার, প্রভৃতির উল্লেখে রিফরমেটরী স্কুলকেও বুঝাইবে।-

এই ভাগে কারাগার বা কারাবাস বা অন্তরীণ প্রভৃতির সকল উল্লেখে রিফরমেটরী স্কুল বা সেখানে আটক রাখাকেও বুঝাইবে ।

৩৫। সাক্ষ্য প্রদানের প্রয়োজনে বন্দীকে হাজির করিতে দেওয়ানী আদালতের ক্ষমতা।-

৩৯ ধারার বিধান সাপেক্ষে, কোন দেওয়ানী আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, তাহার আপীল এখতিয়ারভুক্ত এলাকার মধ্যে, যদি তাহা হাইকোর্ট বিভাগ হয়, কিংবা, হাইকোর্ট বিভাগ না হইলে, অনুরূপ আদালত যে হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন, তাহার এখতিয়ারভুক্ত এলাকার মধ্যে অবস্থিত কোন কারাগারে আটক কোন ব্যক্তির ঐ আদালতে অনিষ্পন্ন কোন প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সাক্ষ্য প্রয়োজন, ১ নম্বর তফসিলের বণর্না মোতাবেক আদালতে হাজিরের জন্য কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন

৩৬। জেলা জজকে ৩৫ ধারার অধীনে প্রদত্ত কতিপয় আদেশ প্রতিস্বাক্ষর করিতে হইবে।-

(১) যখন ৩৫ ধারা অধীনে কোন দেওয়ানী অনিষ্পন্ন বিষয়ে কোন আদেশ প্রদান করা হয়-

           (ক) জেলা জজের অধস্তন কোন আদালত কর্তৃক, বা 

           (খ) ছোট মামলার আদালত কর্তৃক; তাহা কোন অফিসারের নিকট, যিনি নির্দেশিত হইবেন বা কার্যকর করিবেন, প্রেরণ করা যাইবে না, যেই পর্যন্ত পেশ করা না                    হয় এবং প্রতিস্বাক্ষরিত না হয়-

            (i) জেলা জজ কর্তৃক, ঐ আদালত যাহার অধস্তন, বা

            (ii) জেলা জজ কর্তৃক যাহার স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে ঐ ছোট মামলার আদালত অবস্থিত।

(২)জেলা জজের নিকট উপ-ধারা (১) মোতাবেক দাখিল কৃত আদেশের সঙ্গে অধস্তন আদালত বা ছোট মামলার আদালতের বিচারকের একটি বিবৃতি থাকিবে, যাহাতে কোন কারণে আদেশ প্রদান প্রয়োজন তাহার উল্লেখ থাকিবে, এবং জেলা জজ উক্ত বিবৃতি বিবেচনা পূর্বক আদেশটি প্রতিস্বাক্ষর করিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারেন।

 

বন্দীদের হাজিরা এবং তাহাদের সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনে বিধান

 

৩৭। সাক্ষ্য প্রদান বা অভিযোগের জবাব প্রদানের জন্য বন্দীকে হাজির করিতে কতিপয় ফৌজদারি আদালতের ক্ষমতা।-

৩৯ ধারার বিধান সাপেক্ষে, কোন ফৌজদারি আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, তাহার আপীল এখতিয়ারভুক্ত এলাকার মধ্যে, যদি তাহা হাইকোর্ট বিভাগ হয়, কিংবা হাইকোর্ট বিভাগ না হইলে, অনুরূপ আদালত যে হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন, তাহার এখতিয়ারভুক্ত এলাকার মধ্যে অবস্থিত কোন কারাগারে আটক কোন ব্যক্তির ঐ আদালতে অনিষ্পন্ন কোন প্রাসঙ্গিক বিষয়ে বা তাহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের জবাব প্রদান প্রয়োজন, ২ নম্বর তফসিলের বর্ণনা মোতাবেক আদালতের হাজিরের জন্য কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, যদি অনুরূপ আদালত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নের হয়, তাহা হইলে, উক্ত আদেশ সেই জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের প্রতিস্বাক্ষরের জন্য পেশ করিতে হইবে, ঐ ফৌজদারি আদালত যাহার অধস্তন বা এখতিয়ারভুক্ত এলাকার সীমানার মধ্যে অবস্থিত।

৩৮। ব্যক্তি যেখানে আটক রহিয়াছে আদেশ সেই জেলার বা মহকুমার ম্যাজিষ্ট্রেট এর মাধ্যমে অগ্রগামী করিতে হইবে।-

যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য এই ভাগ অনুযায়ী আদেশ দেওয়া হইয়াছে, যদি আদেশ প্রদানকারী বা প্রতিস্বাক্ষকারী আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকার বাহিরের জেলায় সে আটক থাকে, তাহা হইলে যে জেলায় সে আটক রহিয়াছে সে জেলা বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের মাধ্যমে আদেশ প্রেরণ করিতে হইবে, এবং অনুরূপ জেলা বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট যে কারাগারে বন্দী আটক রহিয়াছে, সে কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট তাহা প্রেরণের ব্যবস্থা করিবেন।

 

৩৯। একশত মাইলের বেশী দূরে আটক ব্যক্তিকে সাক্ষ্য প্রদানের জন্য স্থানান্ত রের পদ্ধতি।-(১) যখন হাইকোর্টে বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে একশত মাইলের বেশী দূরে অবস্থিত কোন কারাগারে আটক কোন বন্দীর সাক্ষ্য প্রয়োজন হয়, এবং অনুরূপ আদালত মনে করে যে, এই ভাগ অনুযায়ী সাক্ষ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে তাহাকে স্থানান্তর করা প্রয়োজন, তখন ঐ আদালতের বিচারক বা সভাপতিত্বকারী কর্মকর্তা যে হাইকোর্টে বিভাগের আপীল এখতিয়ারাধীন, সেই হাইকোর্ট বিভাগের নিকট লিখিত আবেদন করিবেন, যদি হাইকোর্ট বিভাগ সমীচীন মনে করেন, তাহা হইলে কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১ নম্বর সিডিউল মোতাবেক আদেশ প্রদান করিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগ কোন আদেশ যে জেলার কারাগারে বন্দী আটক রহিয়াছে, সেই জেলা বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের মাধ্যমে প্রেরণ করিবেন, এবং অনুরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট তাহা প্রেরণের ব্যবস্থা করিবেন।

৪০। হাইকোর্ট বিভাগের আপীল এখতিয়ারের বাহিরে অন্তরীণ ব্যক্তি।-

যখন কোন বন্দী হাইকোর্ট বিভাগের আপীল এখতিয়ারভুক্ত বাহিরে কোন কারাগারে আটক থাকে, তখন অনুরূপ আদালতের কোন বিচারক যদি মনে করেন যে, আনীত অভিযোগের জবাব বা সাক্ষ্য প্রদানের জন্য ঐ বন্দীকে ঐ আদালতে বা তাহার অধস্তন কোন আদালতে স্থানান্তর করা প্রয়োজন, তাহা হইলে বন্দীকে স্থানান্তরের জন্য সেই সরকারের নিকট লিখিত আবেদন করিতে হইবে,

যাহার এলাকার মধ্যে ঐ কারাগার অবস্থিত, এবং ঐ সরকার সমীচীন মনে করিলে বন্দীদের প্রহরা নিয়ন্ত্রণের জন্য ঐ সরকার নির্ধারিত বিধান সাপেক্ষে, ঐ ব্যক্তিকে স্থানান্তর করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

৪১ । বন্দীকে লইয়া আসিতে হইবে।-

যে কারাগারে বন্দী আটক রহিয়াছে, সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট এই ভাগের অধীনে প্রেরিত কোন আদেশ পৌঁছানোর পর, আদেশে উল্লেখিত সময়ে বন্দীকে আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা করিবেন, এবং যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত তাহাকে পরীক্ষা না করে এবং যে কারাগারে আটক ছিল সেখানে ফেরত নেওয়ার আদেশ প্রদান না করে, ততক্ষণ পর্যন্ত আদালতের নিকটবর্তী স্থানে তাহাকে প্রহরায় আটক রাখিবার করিবেন ব্যবস্থা

৪২। সরকার কর্তৃক এই ভাগের কার্যকারিতা হইতে কতিপয় বন্দীকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা।-

সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিদেরকে কারাগার হইতে স্থানান্তর না করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন; এবং তাহার পর হইতে ঐ আদেশ কার্যকর থাকা পর্যন্ত ৪৪ ধারা হইতে ৪৬ ধারার বিধানসমূহ ব্যতীত, এই ভাগের অন্যান্য বিধান অনুরূপ ব্যক্তি বা অনুরূপ শ্রেণীর ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হইবে না । ৪৩। কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে যখন আদেশ প্রতিপালনে বিরত থাকিতে হইবে।-নিম্ন বর্ণিত ক্ষেত্র সমূহে, যথা- 

          (ক) যখন ধারা ৩৫,৩৭ বা ৩৯ এর অধীনে প্রদত্ত আদেশে হাজির ৩১৫ করিবার জন্য এমন কোন বন্দীর নাম থাকে, যে অসুস্থতা বা বৈকল্যতার জন্য স্থানান্তরের অযোগ্য, কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঐ কারাগার যে জেলা বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় অবস্থিত, তাহার নিকট লিখিত আবেদন করিবেন, এবং যদি অনুরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট উল্লেখিত বন্দীকে তাহার অভিমতে অসুস্থতা বা বৈকল্যের জন্য স্থানান্তরের অযোগ্য বলিয়া ঘোষণা করেন;বা

          (খ) যখন অনুরূপ আদেশে উল্লেখিত ব্যক্তি বিচারের জন্য সোপর্দ থাকে;বা

          (গ) যখন অনুরূপ আদেশে উল্লেখিত ব্যক্তি অনিষ্পন্ন বিচার বা প্রাথমিক অনুসন্ধানের আওতায় রিমান্ডে থাকে;বা

          (ঘ) যখন অনুরূপ আদেশে উল্লেখিত ব্যক্তি যে মেয়াদের জন্য আটক রহিয়াছে, এই ভাগ মোতাবেক স্থানান্তর করিবার পূর্বেই এবং আটককৃত কারাগারে ফেরত আনিবার পূর্বেই তাহার মেয়াদ উত্তীর্ণ হইয়া যাইবে; কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আদেশ প্রতিপালন হইতে বিরত থাকিবেন, এবং যে আদালত হইতে আদেশ প্রেরিত হইয়াছে সে আদালতকে এইরূপ বিরত থাকিবার কারণ বর্ণনা করিবেন। তবে শর্ত থাকে যে, পূর্বোক্ত অনুরূপ কর্মকর্তা এইরূপ বিরত থাকিবেন না, যখন-

           (i) আদেশ ৩৭ ধারার অধীনে প্রদান করা হইয়াছে;এবং

           (ii) আদেশে উল্লেখিত ব্যক্তিকে বিচারের জন্য সোপর্দ করা হইয়াছে, বা কোন অনিষ্পন্ন বিচারের জন্য পুন:আটক রহিয়াছে বা অনিষ্পন্ন প্রাথমিক অনুসন্ধানের আওতায় রহিয়াছে, কিন্তু অসুস্থতা বা বৈকল্যের জন্য উহাতে হাজির হইতে হইবে না; এবং

 

বন্দীদের হাজিরা এবং তাহাদের সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনে বিধান

 

           (iii) আদেশে উল্লেখিত যে স্থানে সাক্ষ্য প্রদান করিতে হইবে, তাহার দূরত্ব সে যে কারাগারে আটক রহিয়াছে সেখান হইতে ৫ মাইলের বেশী নয়।

বন্দীদের-খালাস | বন্দী আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দীদের খালাস

বন্দীদের-খালাস

 

বন্দীদের-খালাস

৩৩। ক্ষমা করিবার সুপারিশকৃত বন্দীকে হাইকোর্ট-বিভাগের আদেশে ব্যক্তিগত মুচলেকার মাধ্যমে মুক্তি প্রদান।

হাইকোর্ট-বিভাগ কোন ক্ষেত্রে, যেখানে কোন বন্দীকে নি:শর্ত ক্ষমা প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ করিয়া থাকিলে,

 

সে ক্ষেত্রে ঐ বন্দীকে তাহার ব্যক্তিগত মুচলেকায় মুক্ত করিয়া দেওয়ার অনুমতি প্রদান করিতে পারেন ।

 

বন্দীদের-খালাস

দ্বীপান্তর দণ্ডাদেশাধীন বন্দী | বন্দী আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় দ্বীপান্তর দণ্ডাদেশাধীন বন্দী

দ্বীপান্তর দণ্ডাদেশাধীন বন্দী

দ্বীপান্তর দণ্ডাদেশাধীন বন্দী

 

৩২। দ্বীপান্তরের দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত-বন্দীদের আটক রাখিবার স্থান নির্ধারণ এবং সেখান হইতে স্থানান্তর।-

(১)সরকার বাংলাদেশের মধ্যে স্থান নির্ধারণ করিতে পারিবেন,যেখানে দ্বীপান্তরের দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত-বন্দীদেরকে পাঠানো হইবে; এবং সরকার বা সরকারের পক্ষে ক্ষমতা প্রাপ্ত কতিপয় কর্মকর্তা,

 

পূর্ব হইতে অন্য অপরাধের কারণে দ্বীপান্তর ভোগরত ব্যক্তি ব্যতীত, অনুরূপ সকল ব্যক্তিকে স্থান সমূহে স্থানান্তরের নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(২) বাতিল ।

 

দ্বীপান্তর দণ্ডাদেশাধীন বন্দী

Law Class Online, Free Online Law Courses, Law Classes in High School, Law Classes in College, International Law Class