সিভিল এবং অসাজাপ্রাপ্ত ফৌজদারি বন্দীদের খাদ্য, পোশাক এবং বেডিং | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় সিভিল এবং অসাজাপ্রাপ্ত ফৌজদারি বন্দীদের খাদ্য, পোশাক এবং বেডিং

সিভিল এবং অসাজাপ্রাপ্ত ফৌজদারি বন্দীদের খাদ্য, পোশাক এবং বেডিং

 

সিভিল এবং অসাজাপ্রাপ্ত ফৌজদারি বন্দীদের খাদ্য, পোশাক এবং বেডিং

 

৩১। কতিপয় বন্দীর ব্যক্তিগত উৎস হইতে ভরণ পোষণ।-

একজন সিভিল বন্দী বা একজন অসাজাপ্রাপ্ত ফৌজদারি বন্দীকে নিজের ভরণ পোষণের জন্য অনুমতি দেওয়া হইবে, এবং ব্যক্তিগত উৎস হইতে খাদ্য, পোশাক, বেডিং বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস ক্রয় বা গ্রহণের অনুমতি দেওয়া হইবে, কিন্তু পরীক্ষা করিবার শর্ত সাপেক্ষে এবং মহাপরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত বিধি-বিধানের আওতায় ।

 

৩২। কতিপয় বন্দীর মধ্যে খাদ্য এবং পোশাক হস্তান্তর নিষেধ।-

কোন সিভিল বা অসাজাপ্রাপ্ত ফৌজদারি বন্দীর খাদ্য, পোশাক, বেডিং বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের কোন অংশ, অন্য কোন বন্দীর নিকট দেওয়া বা ভাড়া প্রদান বা বিক্রয় করা যাইবে না; এবং কোন বন্দী এই ধারার লংঘন করিলে, সুপারিনটেন্ডেন্ট যে রকম উচিত মনে করিবেন সে রকম সময় পর্যন্ত খাদ্য ক্রয় বা ব্যক্তিগত উৎস হইতে তাহা গ্রহণ করিবার সুযোগ হারাইবেন।

৩৩। সিভিল এবং অসাজাপ্রাপ্ত বন্দীর পোশাক এবং বেডিং সরবরাহ।-

(১) প্রত্যেক সিভিল এবং অসাজাপ্রাপ্ত বন্দী নিজের পর্যাপ্ত পোশাক ও বেডিং এর সংস্থান না করিতে পারিলে, সুপারিনটেন্ডেন্ট যে রকম প্রয়োজন হইবে, সে রকম পোশাক ও বেডিং সরবরাহ করিবেন।

 

সিভিল এবং অসাজাপ্রাপ্ত ফৌজদারি বন্দীদের খাদ্য, পোশাক এবং বেডিং

 

(২) যখন কোন সিভিল বন্দীকে কোন বেসরকারী ব্যক্তির পক্ষে ডিক্রী জারীর জন্য কারাগারে সোপর্দ করা হয়, ঐ ব্যক্তি বা তাহার প্রতিনিধি, বন্দীকে সরবরাহকৃত পোশাক এবং বেডিং এর মূল্য সুপারিনটেন্ডেন্ট কর্তৃক পেশকৃত লিখিত দাবী প্রাপ্তির ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সুপারিনটেন্ডেন্টের নিকট পরিশোধ করিবেন; এবং পরিশোধে ব্যর্থ হইলে বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হইতে পারে।

বন্দীদের শৃঙ্খলা | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয়  বন্দীদের শৃঙ্খলা ।

বন্দীদের শৃঙ্খলা ।

 

বন্দীদের শৃঙ্খলা ।

 

২৭। বন্দীদের পৃথকীকরণ।-

এই আইনের চাহিদা মতে বন্দীদের নিম্নোক্ত ভাবে পৃথক করিতে হইবে ঃ-

(১) যে কারাগারে মহিলা এবং পুরুষ উভয় প্রকার বন্দী আছে, সেখানে মহিলাদেরকে পৃথক ভবনে অথবা একই ভবনের পৃথক অংশে এমনভাবে অন্তরীণ রাখিতে হইবে যে, পুরুষ বন্দীদের সঙ্গে তাদের দেখা, কথা বলা বা কোন যৌন সহবাস করা না যায়;

(২) যে কারাগারে একুশ বৎসরের কম বয়সের পুরুষ বন্দী আটক রহিয়াছে, তাহাদেরকে অন্যান্য বন্দীদের হইতে আলাদা রাখিবার ব্যবস্থা করিতেহইবে এবং তাদের মধ্যে যাহারা বয়:সন্ধিতে উপনীত হইয়াছে তাহাদেরকে যাহারা উপনীত হয় নাই তাহাদের হইতে আলাদা রাখিতে হইবে;

(৩) অসাজাপ্রাপ্ত ফৌজদারি বন্দীদেরকে সাজাপ্রাপ্ত ফৌজদারি বন্দীদের হইতে আলাদা রাখিতে হইবে; এবং

(৪) সিভিল বন্দীদেরকে ফৌজদারি বন্দীদের হইতে আলাদা রাখিতে হইবে।

 

বন্দীদের শৃঙ্খলা

 

 ২৮। বন্দীদের একত্রীকরণ এবং পৃথক রাখা।-

পূর্ববর্তী ধারার চাহিদা সাপেক্ষে,সাজাপ্রাপ্ত ফৌজদারি বন্দীদেরকে একত্রে কিংবা পৃথকভাবে সেলে কিংবা একটির আংশিক উপায়ে এবং অপরটির আংশিক উপায়ে আটক রাখা যাইতে পারে ।

 

২৯। নির্জন কারাবাস।-

নির্জন কারাবাসের জন্য কোন সেল ব্যবহার হইবে না, যদি তাহা এমনভাবে তৈরী করা না হয় যে, বন্দী সেখান হইতে যে কোন সময় কারাগারের একজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহিত যোগাযোগ করিতে সক্ষম হয়, এবং সাজার অংশ হিসাবে বা অন্য যে কারণেই হউক, ২৪ ঘন্টার বেশী সময় এইরূপ সেলে আটক প্রত্যেক বন্দীকে মেডিকেল অফিসার বা মেডিকেল সাব- অর্ডিনেট দৈনিক কমপক্ষে একবার ভিজিট করিবেন।

৩০। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত বন্দী।-

(১) মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন বন্দীকে, দণ্ড প্রদানের পর কারাগারে আগমনের সঙ্গে সঙ্গে, জেলার কর্তৃক, বা জেলারের নির্দেশে, তল্লাশী করিতে হইবে, এবং তাহার নিকট হইতে সে সকল জিনিস সরাইয়া লইতে হইবে জেলারের বিবেচনায় যে সকল জিনিস মারাত্মক বা তাহার দখলে রাখা সমীচীন হইবে না ।

 

বন্দীদের শৃঙ্খলা ।

 

(২) অনুরূপ প্রত্যেক বন্দীকে অন্য বন্দীদের হইতে আলাদা একটি সেলে আটক রাখিতে হইবে, এবং দিবারাত্র একজন প্রহরীর দায়িত্বে ন্যস্ত রাখিতে হইবে।

বন্দীদের ভর্তি, অপসারণ এবং খালাস | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দীদের ভর্তি, অপসারণ এবং খালাস।

বন্দীদের ভর্তি, অপসারণ এবং খালাস।

 

বন্দীদের ভর্তি, অপসারণ এবং খালাস।

 

২৪। ভর্তিকালে বন্দীদেরকে পরীক্ষা করিতে হইবে।-

(১) যখনই একজন বন্দীকে কারাগরে ভর্তি করা হইতেছে, তাহাকে তল্লাশী করিতে হইবে, এবং সকল অস্ত্র এবং নিষিদ্ধ দ্রব্যাদি তাহার নিকট হইতে রাখিয়া দিতে হইবে। 

 (২) প্রত্যেক ফৌজদারি বন্দীকে, ভর্তির যথা শীঘ্র পরে, মেডিকেল অফিসারের সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশেও পরীক্ষা করা হইবে। মেডিকেল অফিসার জেলারের নিকট রক্ষিত একটি বইতে বন্দীর শারীরিক অবস্থার একটি বর্ণনা এবং কোন জখম বা চিহ্ন, সে যদি সশ্রম কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় কোন শ্রেণীর কাজের জন্যে উপযুক্ত প্রভৃতি অন্তর্ভুক্ত করিবেন বা করাইবেন এবং উল্লেখ করা প্রয়োজন মনে করিলে অন্য যে কোন বিষয় উল্লেখ করিবেন।

(৩) মহিলা বন্দীদের ক্ষেত্রে তল্লাশী এবং পরীক্ষা মেডিকেল অফিসার এর সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশে মেট্রন দ্বারা করিতে হইবে।

 

২৫। বন্দীদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি।

সকল টাকা এবং অন্যান্য দ্রব্যাদি সম্পর্কে উপযুক্ত আদালত কর্তৃক কোন আদেশ প্রদান না করা হইলে, এবং যে সকল জিনিস যথাযথ কতৃত্ব বলে ফৌজদারি বন্দী কর্তৃক কারাগারে নিয়ে আসে বা তাহার ব্যবহারের জন্য তাহার নিকট প্রেরিত হয়, তাহা জেলারের হেফাজতে রাখিতে হইবে ।

বন্দীদের ভর্তি, অপসারণ এবং খালাস

২৬। বন্দী স্থানান্তর এবং খালাস।-

(১) সকল বন্দীকে, অন্য কারাগারে স্থানান্তরের পূর্বে, মেডিকেল অফিসার কর্তৃক পরীক্ষা করিতে হইবে।

(২) কোন বন্দীকে এক কারাগার হইতে অন্য কারাগারে সরানো যাইবে না, যদি না মেডিকেল অফিসার সার্টিফিকেট প্রদান করেন যে বন্দী সরানোর অযোগ্য করিতে পারে এমন ভীষণ অসুস্থতা হইতে মুক্ত।

 

বন্দীদের ভর্তি, অপসারণ এবং খালাস।

 

(৩) কোন মারাত্মক বা বিপদজনক রোগ ভোগ করিতেছে এমন কোন বন্দীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কারাগার হইতে অবমুক্তি প্রদান করা যাইবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়ে মেডিকেল অফিসার মতামত প্রদান না করেন ।

অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ

অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ

 

অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ

 

২১। গেইট কিপারের কর্তব্য ।-

গেইট কিপার হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী কর্মচারী, বা অন্য কোন কারা কর্মচারী, কারাগারের ভিতরে বা কারাগার হইতে বাহিরে বহনকৃত যে কোন জিনিস পরীক্ষা করিতে পারিবেন, এবং কোন নিষিদ্ধ দ্রব্য কারাগারের ভিতরে বা কারাগার হইতে বাহিরে বহনের কিংবা কারাগারের কোন সম্পত্তি বাহিরে বহনের সন্দিগ্ধ ব্যক্তিকে থামাইতে ও তল্লাশী করিতে বা করাইতে পারিবেন, এবং, যদি এ ধরনের কোন দ্রব্য বা সম্পত্তি পাওয়া যায়, তাহা হইলে সঙ্গে সঙ্গে উহার সম্পর্কে জেলারকে জানাইতে হইবে।

 

২২। ছুটি ব্যতীত অধস্তন কর্মচারীগণ অনুপস্থিত থাকিবেন না।-

জেলারের অধস্তন কোন কর্মচারী সুপারিনটেন্ডেন্ট কিংবা জেলার হইতে ছুটি গ্রহণ না করিয়া কারাগারে অনুপস্থিত থাকিতে পারিবেন না ।

২৩। কয়েদী কর্মচারী ।-

 

অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ

 

যে সব বন্দীকে কারাগারের কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে দণ্ড বিধিতে উল্লেখিত অর্থ মোতাবেক তাদেরকে গণ কর্মচারী বলিয়া গণ্য করিতে হইবে।

জেলার কারাগার | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় জেলার জেলার কারাগার

জেলার

 

জেলার কারাগার

 

১৬। জেলার।-

          (১) জেলার কারাগারের ভিতরে বসবাস করিবেন, যদি না সুপারিনটেন্ডেন্ট তাহাকে অন্যত্র বসবাস করিবার লিখিত অনুমতি প্রদান করেন।

          (২) মহাপরিদর্শকের লিখিত অনুমতি ব্যতীত, জেলার অন্য কোন চাকরির সাথে যুক্ত হইতে পারিবেন না ।

১৭। জেলার বন্দীর মৃত্যুর নোটীশ প্রদান করিবেন।-

কোন বন্দীর মৃত্যু হইলে জেলার সঙ্গে সঙ্গে ইহার নোটীশ সুপারিনটেন্ডেন্ট এবং মেডিকেল সাব- অর্ডিনেটকে প্রদান করিবেন

 

১৮। জেলারের দায়িত্ব।-

জেলার ১২ ধারার অধীন রেকর্ডসমূহ,সোপর্দকরণের ওয়ারেন্টসমূহ এবং তাহার দায়িত্বে রাখা অন্যান্য দলিল, এবং বন্দীদের নিকট হইতে গৃহীত টাকা ও অন্যান্য দ্রব্যাদি নিরাপদ হেফাজতে রাখিবার জন্য দায়ী থাকিবেন।

১৯। জেলারকে রাত্রে উপস্থিত থাকিতে হইবে।-

জেলার সুপারিনটেন্ডেন্টের লিখিত অনুমতি ব্যতীত রাতের জন্য কারাগারে অনুপস্থিত থাকিতে পারিবেন না, কিন্তু, যদি অনিবার্য প্রয়োজনে তিনি ছুটি ব্যতীত কোন রাতের জন্য অনুপস্থিত থাকেন, বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে সুপারিনটেন্ডেন্টকে জানাইবেন এবং কারণ ব্যাখ্যা করিবেন।

২০। ডেপুটি এবং সহকারী জেলারের ক্ষমতা।

 

জেলার কারাগার

 

যখন কোন কারাগারে ডেপুটি জেলার বা সহকারী জেলার নিয়োগ করা হয়, তিনি সুপারিনটেন্ডেন্টের আদেশ সাপেক্ষে এই আইন বা তাহার অধীনে কোন বিধি মোতাবেক জেলারের যে কোন কাজ করিতে পারিবেন এবং জেলারের সকল দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।

মেডিকেল অফিসার | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় মেডিকেল অফিসার

মেডিকেল অফিসার

 

মেডিকেল অফিসার

১৩। মেডিকেল অফিসারের দায়িত্ব।-

সুপারিনটেন্ডেন্টের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, মেডিকেল-অফিসার কারাগারের সেনিটরী প্রশাসনের দায়িত্ব পালন করিবেন এবং ৫৯ ধারার অধীনে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধান মোতাবেক অন্যান্য দায়িত্ব পালন করিবেন

১৪। কিছু বিশেষ বিষয়ে মেডিকেল অফিসার প্রতিবেদন প্রদান করিবেন। –

যখন মেডিকেল-অফিসারের বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে কারাগারের আরোপিত শৃঙ্খলা বা পরিচালনার কারণে কোন বন্দী মানসিক বা ক্ষতিগ্রস্ত হইতে পারে, মেডিকেল-অফিসার কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত হইবে বলিয়া তিনি মনে করেন তাহার উল্লেখ পূর্বক বিষয়টি লিখিত ভাবে সুপারিনটেন্ডেন্টের নিকট জানাইবেন। এই রিপোর্ট, সুপারিনটেন্ডেন্টের এতদসংক্রান্ত আদেশসহ অবিলম্বে কারা মহাপরিদর্শকের নিকট অবগতির জন্য প্রেরণ করিতে হইবে। 

 

 

১৫। বন্দীর মৃত্যু সংক্রান্ত রিপোর্ট।-

কোন বন্দীর মৃত্যু হইলে, সেই সম্পর্কে মেডিকেল-অফিসার অবিলম্বে একটি রেজিষ্টারে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ যতদূর সম্ভব পাওয়া যায়, রেকর্ড করিবেন :-

     (১) প্রথম কোন দিন ঐ বন্দী অসুস্থতার কথা উল্লেখ করিয়াছিল বা তাহাকে অসুস্থ হইতে দেখা গিয়াছিল,          

     (২) যে দিন মারা গিয়াছিল, সেইদিন তাহাকে যে কাজে নিয়োজিত করা হইয়াছিল, যদি দেওয়া হইয়া থাকে

     (৩) সেই দিন তাহার ডায়েট স্কেল;

     (৪) হাসপাতালে ভর্তি হইবার তারিখ;

     (৫) কোন দিন মেডিকেল-অফিসারকে বন্দীর অসুস্থতা সম্পর্কে প্রথম জানানো হইয়াছিল; 

     (৬) রোগের ধরন,

     (৭) মৃত্যুর পূর্বে মেডিকেল-অফিসার বা মেডিকেল সাব-অর্ডিনেট সর্বশেষ কখন তাহাকে দেখিয়াছিলেন,

 

মেডিকেল অফিসার

 

     (৮) বন্দী কখন মারা গিয়াছিল, এবং

     (৯) (যে ক্ষেত্রে পোস্ট মর্টেম করা হইয়াছে) মৃত্যুর পর চেহারার একটি বর্ণনা, সেই সঙ্গে, মেডিকেল-অফিসার প্রয়োজন মনে করিলে যে কোন বিশেষ মন্তব্য ।

সুপারিনটেন্ডেন্ট বন্দী | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় সুপারিনটেন্ডেন্ট বন্দী

সুপারিনটেন্ডেন্ট

 

সুপারিনটেন্ডেন্ট বন্দী

 

১১। সুপারিনটেন্ডেন্ট।-

(১) মহাপরিদর্শকের আদেশ সাপেক্ষে সুপারিনটেন্ডেন্ট বন্দীদের শৃঙ্খলা, শ্রম, ব্যয়, শাস্তি এবং নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা করিবেন।

      (২) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুরূপ সাধারণ বা বিশেষ আদেশ সাপেক্ষে, কেন্দ্রীয় কারাগার ব্যতীত কোন কারাগারের সুপারিনটেন্ডেন্ট এই আইন বা তাহার অধীনে প্রণীত কোন বিধির সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ নয়, কারাগার বিষয়ে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের এমন সকল নির্দেশ মান্য করিবেন, এবং এই ধরনের সকল আদেশ এবং তাহার পরিপ্রেক্ষিতে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে কারা মহাপরিদর্শকের নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ করিবেন।

 

১২। সুপারিনটেন্ডেন্ট যে সকল রেকর্ড রাখিবেন। –

সুপারিনটেন্ডেন্ট নিম্নোক্ত রেকর্ডসমূহ রাখিবেন বা  রাখিবার ব্যবস্থা করিবেন:-

             (১) বন্দীদের ভর্তির একটি রেজিষ্টার;

             (২) প্রত্যেক বন্দীর মুক্তির সময়ের বর্ণনা সম্বলিত একটি বই;

             (৩) কারা অপরাধের দায়ে বন্দীদেরকে আরোপিত শাস্তি অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি শাস্তি বই;

             (৪) ভিজিট কালে কারাগারের প্রশাসন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভিজিটরের কোন মতামত অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি ভিজিটর বই;

 

সুপারিনটেন্ডেন্ট বন্দী

 

             (৫) বন্দীদের নিকট হইতে গৃহীত টাকা এবং দ্রব্যাদির একটি রেকর্ড; এবং ৫৯ ধারার অধীনে প্রণীত বিধান মোতাবেক অনুরূপ অন্যান্য রেকর্ড।

কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের কর্তব্য | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের কর্তব্য।

কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের কর্তব্য।

 

কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের কর্তব্য।

 

৮। কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের নিয়ন্ত্রণ এবং কর্তব্য।-

কোন কারাগারের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী সুপারিনটেন্ডেন্টের আদেশ সমূহ মান্য করিবেন; জেলারের অধস্তন সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী সুপারিনটেন্ডেন্টের অনুমোদনক্রমে জেলার যেইরূপ দায়িত্ব প্রদান করিবেন বা ৫৯ ধারার অধীনে প্রণীত বিধান মোতাবেক তাহারা দায়িত্ব পালন করিবেন।

৯। কর্মকর্তা-কর্মচারী গণের বন্দীদের সঙ্গে ব্যবসা থাকিবে না।-

কারাগারের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী কিংবা তাহার বিশ্বস্ত বা নিযুক্তিয় কোন ব্যক্তি, কোন বন্দীর নিকট কোন দ্রব্য বিক্রয় বা ভাড়া প্রদান করিবেন না, বা কোন বন্দীর কোন দ্রব্য বিক্রয় বা ভাড়া প্রদান হইতে অর্জিত সুবিধা বা কোন টাকা গ্রহণ করিবেন না বা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোন বন্দীর সহিত অন্যান্য ব্যবসায়িক কারবার করিবেন না ।

 

 

১০। কর্মকর্তা-কর্মচারী গণ কারাগারের ঠিকাদারীতে আগ্রহী হইবেন না।-

কারাগারের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী কিংবা তাহার বিশ্বস্ত বা নিযুক্তিয় কোন ব্যক্তি, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কারাগারের সরবরাহ কাজের ঠিকাদারীতে আগ্রহ প্রকাশ করিবেন না, কিংবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কারাগারের বা কোন বন্দীর কোন দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় হইতে কোন সুবিধা গ্রহণ করিবেন না।

 

কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের কর্তব্য।

 

ব্যবস্থাপনা এবং কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় ব্যবস্থাপনা এবং কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ।

ব্যবস্থাপনা এবং কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ।

 

ব্যবস্থাপনা এবং কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ।

 

৪। বন্দীদের আবাসন।-

সরকার বন্দীদের আবাসনের জন্য, বন্দীদের পৃথকী করণসহ এই আইনের চাহিদা অনুযায়ী কারাগার নির্মাণ এবং পরিচালনা করিবেন

৫। মহা পরিদর্শক।–

বাংলাদেশের জন্যে একজন মহাপরিদর্শক নিয়োগ করিতে হইবে যিনি, সরকারের অধীনস্থ সকল কারাগারের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ এবং তত্ত্বাবধান করিবেন ।

 

৬। কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।-

প্রত্যেক কারাগারের জন্য ন্য একজন সুপারিন- টেন্ডেন্ট,একজন মেডিক্যাল অফিসার (যিনি সুপারিনটেন্ডেন্টও হইতে পারিবেন), একজন মেডিকেল সাব-অর্ডিনেট, একজন জেলার এবং সরকার যেইরূপ প্রয়োজন মনে করিবেন সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকিবে।

৭। বন্দীদের অস্থায়ী আবাসন।-

যদি মহাপরিদর্শকের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন কারাগারে বন্দীর সংখ্যা উহাতে সুবিধাজনক বা নিরাপদে আটক রাখার ক্ষমতা অপেক্ষা বেশী হইয়া গিয়াছে, এবং এই অতিরিক্ত বন্দীদেরকে অন্য কোন কারাগারে স্থানান্তর করা সুবিধাজনক হইবে না, অথবা যখন কোন কারাগারে মহামারীর প্রাদুর্ভাব ঘটিয়া থাকে, বা অন্য কোন কারণে, কোন বন্দীর জন্য অস্থায়ী আশ্রয় এবং নিরাপদ হেফাজতের প্রয়োজন,

 

ব্যবস্থাপনা এবং কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ।

 

সরকার যেইরূপ নির্দেশ প্রদান করিবেন, সেইরূপ উপায়ে অনুরূপ কর্মকর্তা কর্তৃক বন্দীদের আশ্রয় এবং নিরাপদ হেফাজতের জন্য অস্থায়ী কারাগারের ব্যবস্থা করা যাইবে, যদি বহু সংখ্যক বন্দীকে কারাগারে সুবিধাজনক ভাবে বা নিরাপদে রাখা না যায় ।

পরিচ্ছেদ ৩- হিসাব |পদ্ধতি এবং হিসাব, রেজিষ্টার, ফরম প্রভৃতি

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় পরিচ্ছেদ ৩- হিসাব

পরিচ্ছেদ ৩- হিসাব

 

পরিচ্ছেদ ৩- হিসাব

 

বিধি-১৩২৮।

কারাগারের হিসাব সম্পূর্ণ দুটি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত হবে- উৎপাদন বিভাগ এবং সাধারণ বিভাগ। কতিপয় ফরম এবং রেকর্ড ব্যবহারের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও উভয় প্রকারের হিসাব পদ্ধতি একই প্রকারের হবে। উৎপাদন বিভাগে কাঁচামাল, উৎপাদিত দ্রব্য, উৎপাদনে ব্যবহৃত ষ্টক প্রভৃতির হিসাব রাখা হবে। অবশিষ্ট সকল হিসাব সাধারণ বিভাগ কর্তৃক সম্পাদিত হবে।

বিধি-১৩২৯।

দৈনিক বই এবং লেজার প্রত্যহ সকালে পরীক্ষা করতে হবে এবং কোন কারণেই পরে করার জন্যে ফেলে রাখা যাবে না। 

বিধি-১৩৩০।

কোন দলিল,রেজিষ্টার বা হিসাবে কাটা ছেঁড়া বা ঘষা মাজা করা যাবে না। কোন ভুল হয়ে থাকলে তা লাল কালিতে একটানে কেটে এর উপরে সঠিক লেখা লিখতে হবে এবং দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে।

বিধি-১৩৩১।

প্রত্যেক মাস শেষ হবার পরবর্তী ১৫ তারিখের মধ্যে কারা মহাপরিদর্শকের নিকট মাসিক হিসাব সমাপ্তির একটি সার্টিফিকেট ৪ নম্বর রিটার্নে প্রেরণ করতে হবে। প্রেরণের পূর্বে জেল সুপার প্রত্যেক হিসাবে স্বাক্ষর প্রদান করবেন।

বিধি-১৩৩২।

জেল সুপার প্রত্যেক বৎসরের ৩১ শে জুলাইয়ের মধ্যে বার্ষিক বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব কারা মহাপরিদর্শকের নিকট ১৮ নম্বর রিটার্নে প্রেরণ করবেন এবং কারা মহাপরিদর্শক বাজেটে কারাগারের সকল প্রকার প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের সংস্থান রাখার ব্যবস্থা করবেন।

বিধি ১৩৩৩-১৩৩৪ ।

অকার্যকর।

বিধি-১৩৩৫ ।

বিক্রয় বাবত বা পাওনা আদায় বাবত মোট টাকার অংক জেলা কারাগারে পঞ্চাশ টাকা এবং কেন্দ্রীয় কারাগারে একশত টাকা হলে ট্রেজারীতে জমা রাখতে হবে। 

বিধি-১৩৩৬।

ঠিকাদারদের আর্নেস্ট মানি ট্রেজারীতে ‘রেভিনিউ জমা’ খাতে রাখতে হবে। সিকিউরিটি মানি প্রমিজারী নোট বা পোস্ট্যাল ক্যাশ সার্টিফিকেট হিসাবে রাখতে হবে।{তবে তিন মাসের মধ্যে ঠিকাদারকে টাকা ফেরত না দিতে হলে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নিরাপদে রাখতে হবে । }

নং- ২৮৫৭ এইচ জে তারিখ ২৮-৮-১৯৪১ মূলে সংযোজিত ।

বিধি-১৩৩৭।

সকল প্রকার জরুরী পেটি ব্যয় মিটানোর প্রয়োজনে সাধারণ এবং উৎপাদন বিভাগে ১০০ টাকা করে পৃথক স্থায়ী অগ্রিমের ব্যবস্থা থাকবে। এ সকল টাকা মাসের যে কোন সময় বিলের মাধ্যমে সমন্বয় করা যাবে। প্রত্যেক বছর ১৫ এপ্রিল মহা-হিসাব রক্ষকের নিকট প্রতিবেদন প্রদান করতে হবে যে জেল সুপারদের হাতে স্থায়ী অগ্রিম হিসাবে বরাদ্দকৃত টাকা মজুত আছে ।

বিধি-১৩৩৮।

কারাগারের নগদ তহবিলের নিরাপত্তার জন্যে জেলার দায়ী থাকবেন। কেন্দ্রীয় কারাগারে ডেপুটি জেল সুপার উৎপাদন বিভাগের টাকার হিসাব ও নিরাপত্তার জন্যে দায়ী থাকবেন।

বিধি-১৩৩৯ ।

খরচের খাত- বর্তমানে বাজেটের কোড ভিন্নরূপ।

বিধি-১৩৪০।

নিম্নোক্ত ব্যয়ের জন্যে কারা মহাপরিদর্শকের অনুমোদন প্রয়োজন হবে-অতিরিক্ত সংস্থাপন, নির্মাণ, মেরামত, নুতন অফিস আসবাবপত্র, কনজারভেন্সী বা পানি সরবরাহের প্রয়োজনে ৫০ টাকার বেশী মূল্যের লোহার পাত্র ক্রয়, জমির খাজনা, হাসপাতালের বেড, হ্যান্ডকাপ, তালা, উৎপাদন কাজের প্ল্যান্ট, বড় ধরনের যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং অন্য যে কোন ক্ষেত্রে যেখানে বাজেট বরাদ্দ ব্যয় মিটানোর জন্যে পর্যাপ্ত নয় ।

বিধি-১৩৪১।

(১) কোন ব্যয়ের অনুমোদনের জন্যে প্রস্তাবে খাত উল্লেখ করতে হবে, যদি খাতের বরাদ্দ পর্যাপ্ত না হয়, অন্য খাত থেকে উপযোজন সম্ভব কিনা তাও উল্লেখ করতে হবে।

 (২) কোন আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা অতিরিক্ত মঞ্জুরী পাবার পূর্বে কোন খাত হতে প্রাপ্ত বরাদ্দের অতিরিক্ত ব্যয় করবেন না ।

(৩) সকল সম্পাদিত ব্যয় পরিশোধ করতে হবে, পরবর্তী বৎসরের খাত হতে পরিশোধ করার উদ্দেশ্যে রেখে দেয়া যাবে না ।

বিধি-১৩৪২।

সাধারণ এবং উৎপাদন উভয় বিভাগে আনুষঙ্গিক ব্যয়ের পৃথক রেজিষ্টার রাখতে হবে ।

 

বিধি-১৩৪৩।

(১) সেবা এবং সরবরাহ গ্রহণ এবং নিষ্পত্তি হবে-

                                 (ক) নগদ লেনদেনের মাধ্যমে,

                                 (খ) আন্ত এবং অন্ত: বিভাগীয় সরবরাহ ।

 (২) হিসাব নিষ্পন্ন হবে-

                                 (ক) ট্রেজারী বিলের মাধ্যমে,

                                 (খ) আন্ত এবং অন্ত : বিভাগীয় ট্রান্সফার( বুক ট্রান্সফার)।

 বিধি-১৩৪৪।

(১) সকল প্রকার সরবরাহ ষ্টোর অর্ডার আকারে কিংবা চুক্তির ফরমে হবে।

(২) আন্ত বিভাগীয় সরবরাহ ষ্টোর অর্ডার আকারে হবে ।

(৩) নগদে বা বাকীতে সরবরাহ কারাগারের গুদামের বাহিরে ‘ষ্টোর ডেলিভারী অর্ডার’ আকারে হবে ।

(৪) আন্ত বা অন্ত: বিভাগীয় সরবরাহ ১৩৬২ (২) বিধি মোতাবেক হবে।

বিধি-১৩৪৫।

কারাগারে উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয় মূল্য বাজারে অনুরূপ দ্রব্যের বিক্রয় মূল্য অনুসারে যথা সম্ভব নির্ধারণ করতে হবে। যদি অনুরূপ বাজার মূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব না হয়, তখন নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে তা নির্ধারণ করতে হবে-

(ক) কাঁচা মালের মূল্য;

(খ) আশে পাশে প্রচলিত দর অনুসারে কারাগারে যে শ্রম নিয়োজিত হয়েছে, তার মুল্য; (1) (3)

(গ) কাঁচামালের মূল্যের উপর ৫%, প্ল্যান্টের ব্যবহার মূল্য বাবদ;

(ঘ) কাঁচামাল এবং শ্রমের মূল্যের উপর ১০% লাভ- সরকারী বা পাইকারী বিক্রয়ের ক্ষেত্রে, ১৫% লাভ-খুচরা ডিলারের ক্ষেত্রে এবং ২৫% লাভ- সাধারণ ক্রেতাদের ক্ষেত্রে

(ঙ) প্যাকিং এবং অন্যান্য ব্যয় ।

কারা অধিদপ্তর এবং তার অধীনস্থ অফিসের ক্ষেত্রে কেবল মাত্র কাঁচা মালের মূল্য আদায় যোগ্য হবে।

নং- ১১০৯ এইচ জে তারিখ ১৫-৭-১৯৪৭ মূলেসংশোধিত ।

বিধি-১৩৪৬।

কোন কারা কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজের পকেট হতে কোন অগ্রিম পরিশোধ করবেন না। পেটি ব্যয় জেল সুপার স্থায়ী অগ্রিম হতে পরিশোধ করবেন । বড় অংকের পরিশোধের ক্ষেত্রে জেল সুপার নিয়ম মাফিক ট্রেজারী হতে বিলের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করবেন। ট্রেজারী হতে যে কাজের উদ্দেশ্যে টাকা উত্তোলন করা হবে, সঙ্গে সঙ্গে সে কাজে টাকা পরিশোধ করে দিতে হবে, উত্তোলিত টাকা ৪৮ ঘন্টার বেশী হাতে জমা রাখা যাবে না। আসন্ন খরচের প্রয়োজন না হলে ট্রেজারী হতে কোন টাকা উত্তোলন করা যাবে না ।

স্থায়ী অগ্রিম, বন্দীদের সম্পত্তি, উৎপাদিত দ্রব্য বিক্রয়ের টাকা এবং সম্ভাব্য পেটি ব্যয় ব্যয় ছাড়া কোন টাকা হাতে রাখা যাবে না ।

বিধি-১৩৪৭।

যদি কোন দ্রব্য ঠিকাদারের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়, তাকে কোন অগ্রিম প্রদান ব্যতীতই তা করতে হবে, তবে মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে বিল পরিশোধ করতে হবে। ২৫ তারিখের পরের কোন ব্যয় পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

বিধি-১৩৪৮ ।

প্রয়োগ নেই ।

বিধি-১৩৪৯।

(১) প্রত্যেক পরিশোধের প্রাপ্তি রাখতে হবে। প্রাপ্তি সমূহ “নগদ পরিশোধের ভাউচার”-এ রাখতে হবে।

(২) প্রত্যেক খাতের খরচের জন্যে পৃথক প্রাপ্তি রাখতে হবে। বিশ টাকার অধিক পরিশোধের জন্যে রাজস্ব টিকেট প্রয়োজন হবে। (৩) প্রত্যেক নগদ পরিশোধের একটি বার্ষিক ক্রমিক নম্বর দিতে হবে।

বিধি-১৩৫০।

দুটি ক্যাশ বহি (রেজিষ্টার ৩১) সংরক্ষণ করতে হবে- একটি সাধারণ বিভাগ এবং অন্যটি উৎপাদন বিভাগের জন্যে ।

(i) { উভয় বিভাগের ক্যাশ বহি জেলার নিজে পরীক্ষা করবেন, তবে কেন্দ্রীয় কারাগারে সার্বক্ষণিক ডেপুটি সুপার থাকলে উৎপাদন বিভাগের ক্যাশ বহি তিনি পরীক্ষা করবেন। জেল সুপার দিন শেষে ক্যাশ বহির ব্যালান্স পরীক্ষা করে দেখবেন এবং বিধি ৮৫ মোতাবেক মাসের শেষে প্রত্যেক কলামের ব্যালান্স পরীক্ষা করবেন}। ক্যাশ বহি দুটি সম্পূর্ণ আলাদা হবে, এবং {কারাগারে} আগত বা কারাগার হতে ব্যয়কৃত সকল টাকা যে কোন একটি ক্যাশ বহিতে অন্ত র্ভুক্ত হবে।

সংস্থাপন এবং ব্যবস্থাপনা, বন্দীদের নগদ টাকা, সিভিল বন্দীদের ডায়েট মানি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জামানত সাধারণ ক্যাশ বহিতে এবং উৎপাদন বিভাগ সম্পর্কিত আয়-ব্যয় উৎপাদন ক্যাশ বহিতে রক্ষিত হবে।

(ii) {ক্যাশ বহিতে লিপিবদ্ধ যাবতীয় আর্থিক লেনদেন জেল সুপার কর্তৃক সত্যায়িত হবে। তবে কেন্দ্রীয় কারাগারে সার্বক্ষণিক ডেপুটি সুপার থাকলে উৎপাদন বিভাগের ক্যাশ বহি তিনি সত্যায়িত করবেন।}

নং- ১৯৪ এইচ জে তারিখ ২৬-৬-১৯৩৭, নং- ৮৫৩ এইচ জে তারিখ ১৪-৩-১৯৪১ এবং নং-

৩৪৫ এইচ জে তারিখ ২৬-২-১৯৫৮ মোতাবেক সংশোধিত ।

 

পরিচ্ছেদ ৩- হিসাব

 

বিধি১৩৫১-১৩৮৮।

ক্যাশ বই লিখন, হিসাব ও আন্ত: বিভাগীয় লেন দেন, সরবরাহ, রেলওয়ে ক্রেডিট, রেজিষ্টার, রিটার্ন এবং ফরমের তালিকা।

প্রথম খন্ড (পার্ট-II)- সাবসিডিয়ারি জেল কোড।- বর্তমানে দেশে কোন সাবসিডিয়ারি কারাগার নেই বিধায় প্রয়োগ নেই ।

Law Class Online, Free Online Law Courses, Law Classes in High School, Law Classes in College, International Law Class